বারবার ত🌺িনি উদাত্ত কণ্ঠে গেয়ে উঠেছেন - 'আমি বাংলায় গান গাই'! সেই 'অমর' শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় আজ আর আমাদের মধ্যে নেই। অথচ, আজই ছিল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)! প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি তাই আজ আরও বেশি করে প্রকট হয়ে উঠেছিল। আর সেই মঞ্চ থেকেই প্রয়াত শিল্পীর উদ্দেশে অনন্য সম্মান প্রদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন ত🌱িনি ঘোষণা করেন, এবার থেকে দক্ষিণ কলকাতার ল্যান্সডাউন প্লেস-এর নাম বদলে হবে 'প্রতুল মুখোপাধ্যায় সরণি'। এদিন সন্ধ্যার অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই শহরের মেয়র ফিরহাদ (ববি) ꦆহাকিমকে এই নাম বদলের প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, প্রতি বছরই ভাষা দিবসের মঞ্চে একেবারে সামনের📖 সারিতে উপস্থিত থাকতেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়। প্রবীণ শিল্পী দীর্ঘদিন ধরেই নানা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবুও কখনও সঙ্গীতের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি চিরকালের মতো ন꧂া ফেরার দেশে চলে যান তিনি। অথচ, প্রতি বছরের মতো এদিনও ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু, প্রতুলের অনুপস্থিতি, তাঁর না থাকা - দেশপ্রিয় পার্কের এই আয়োজনে যেন এক অসীম শূন্যতা সৃষ্টি করেছিল। যে শূন্যতা ছিল ভীষণভাবে দৃশ্যমান!
এদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের সকলের বক্তব্যেই বারবার ফি🍒রে ফিরে এসেছেন সদ্য প্রয়াত শিল্পী। কবি শ্রীজাত, চিত্রকর শুভাপ্রসন্ন, যোগেন চৌধুরী, সাহিত্যিক আবুল বাশার থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় - সকলেই আবেগে বুজে আসা গলা নিয়ে শিল্পীর স্মৃতিচারণ করেছেন।
তবে, এদিনের অনুষ্ঠান মঞ্চে প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী উপস্থিত ছ✱িলেন। তাঁর এবং বাকি সকলের উপস্থিতিতে দক্ষিণ কলকাতার ল্যান্সডাউন প্লেসের নামবদলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, 'যেখানেই থাকুন প্রতুলদা, ভা🐻লো থাকুন ৷ তবে এই দিনটা আমরা পালন করব না, এটা হতে পারে না ৷ কোনও দেশ সম্পর্কে আমাদের কোনও কথা বলা উচিত নয় ৷ এই কারণে আমরা আমাদের দেশ সম্পর্কে বলব ৷ বাংলার মাটি সোনার মাটি ৷ বাংলা ভাষা কারও একার নয⛦় ৷ সারা পৃথিবীতে বাংলা ভাষার স্থান পঞ্চম ৷ এশিয়ায় বাংলা দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষা ৷ বাংলা ভাষার গুরুত্ব চিরকাল ছিল, আছে এবং থাকবে ৷'