শেষমেশ উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হতে হল ওডিশার 'কলিঙ্গ ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি' বা ক༺েআইআইটি বি𒀰শ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অচ্যুত সামন্ত এবং তাঁর কর্মীদের। এই উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছে ওডিশা সরকার।
২০ বছরের নেপালি ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং তার পরবর্তী ন্যক্কারজনক ঘটনাপ্রবাহ - যেখানে স্রেফ প্রতিবাদ করার 'অপরাধে' প্রায় ৮০০ নেপালি পড়ুয়াকে কার্যত ঘাড় ধাক্কা দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়ার দুঃসাহস দেখানোর চেষ্টা কর💫েছিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ - এই পুরো পর্বের তদন্ত করছে উচ্চ পর্য🤡ায়ের এই তদন্ত কমিটি।
ইতিমধ্যেই এই ঘটনার প্রতিবাদে সারাদেশ নেপালি পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে। হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে নেপাল সরকারকে! এবং প্রবল চাপের মুখে শেষমেশ ভারতের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতে পড়তে আসা প্রত্যেকটি আন্তর্জাতিক পড়ুয়ার সুরক্🎃ষা, নিরাপত্তা এবং কল্যাণসাধন নিশ্চিত করা তাদের কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, ২০ বছরের ওই নেপালি ছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। কিন্তু, তাঁর মৃত্যুর একমাস আগে থেকে শুরু করে - যখন ওই ছাত্রী তাঁর বিরুদ্ধে হয়ে চলা লাগাতার হেনস্থার বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও সাহায্য পাননি🥀, এবং পরবর্তীতে তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুর পর বাকি নেপালি পড়ুয়াদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে পৈশাচিক আচরণ করেছে - এই পুরো ঘটনায় কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে অচ্যুত সামন্তকে।
শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫) সেই তাঁকেই উচ্চ পর্যℱায়ের তদন্ত কমি🅰টির মুখোমুখি হতে হল। যে কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্য স্বরাষ্ট্র সচিব সত্যব্রত সাহু।
এদিন অচ্যু♉ত ൲ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই সমস্ত কর্মীদের তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হতে হয়, যাঁরা নেপালি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে চরম অমানবিক আচরণ ও অসভ্যতা করেছিলেন বলে অভিযোগ।
তদন্ত কমিটির তরফে জানতে চাওয়া হয় -
১) একমাস আগেই যখন ওই নেপা💧লি তরুণী হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তখন কেন কোনও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হল না?
২) তরুণীর দেহ উদ্♏ধারের পর কেন বাকি নেপালি পড়ুয়াদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাড়ানোর চেষ্ꦆটা করা হল?
৩) কেন তাঁদের সঙ্গে বিশ্ববিদꦉ্যালয় কর্তৃপক্ষ বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণ করল? তাঁদের অপমান করা হল?
প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই গভীর শোক ও উদ্বেগ প൩্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারা যে গোটা ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে, সেই বার্তাও দেওয়া হয়েছে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের মাধ্যমে। তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সর্বক্ষণ কেআইআইটি কর্তৃপক্ষ এবং ওডিশা সরকারের সঙ্গে এই বিষয়ে যোগাযোগ র𒁏াখছে।