'হেমলক সোসাইটি' মুক্ত🌼ির ১৩ বছর পর এই ছবির সিক্যুয়াল 'কিলবিল🙈 সোসাইটি' মুক্তি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ছিল ছবির স্পেশাল স্ক্রিনিং। এদিন ছবিতে কৌশানীর অভিনয় নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখা যায় পরমব্রতকে।
সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে 'আনন্দ কর' ওরফে 'মৃত্যুঞ্জয় কর𒈔'-এর ভূমিকায় ফের নতুন করে নজরকাড়েন পরমব্ওরত চট্টোপাধায়। তবে তাঁর বিপরীতে পূর্ণা আইচের চরিত্রে কৌশানী মুখোপাধ্যায়ও কিছু কম যান। ছবির প্রিমিয়ারে তেমনটাই দাবি করলেন পরম। তাঁর থেকে জানতে চাওয়া হয় হেমলকের ‘মেঘনা’ (কোয়েল মল্লিককে এই চরিত্রে দেখা গিয়েছিল) নাকি কিলবিলের 'পূর্ণা' কাকে হ্যান্ডেল করা বেশি কঠিন? প্রশ্ন নায়ক মজার ছলে বলেন, ‘এই কূটনৈতিক প্রশ্নের উত্তর অদেয়ই থাক।’
আরও পড়ুন: কিলবিলের প্রিমিয়ারে পরমের সঙ্গে পিয়া, সুস্পষ্ট তাঁরꦜ বেবিবাম্প! আর কে কে ♐এলেন?
তারপর নতুন সহ-অভিনেত্রী কৌশানীকে পাশে নিয়েই তাঁর প্রশংসা করে বললেন, ‘আমি তো গোটা ছবিটা দেখিনি এর আগে। শুধু কৌশানীর সঙ্গে আমার♍ যে দৃশ্যগুলো একসঙ্গে ছিল সেখানে ওঁর অভিনয় দেখেছিলাম। তবে পর্দায় পুরোটা দেখে আমি আলাদা করে কৌশানীর একটু প্রশংসা করতে চাই।’
তবে এই ছবিতে পরম ‘মৃত্যুঞ্জয়’। তাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাঁর দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয় যে, মৃত্যুঞ্জয় হয়ে 'আনন্দ'কে কতটা মিস করলেন তিনি? প্রশ্নে হাসতে হাসতেই পরম জবাব দেন, 'মহা মুশকিল। ১৩ বছর আগে একটা জিনিস হয়েছিল। তা ইতিহাসের পাতায় রয়েছে। আবার একটা নতুন জিনিস হয়েছে ওটার একটা অংশ। সেটাও ইতিহাস🎐ের পাতায় থাকবে…', পরমের মুখ কথা শেষ না হওয়ার আগেই কৌশানী বলেন, ‘সেটা ইতিহাস গড়বে।’ পরম শেষ যোগ করেন, ‘আগেরটাও ভীষণ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ, ভীষণ ভালোবাসার। আর এটাও সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং ভীষণ ভালোবাসার।’
আরও পড়ুন: 'আসলে এই প্রথমবার হল…', আড়ির ট্রেলার লঞ্চে বাবা-মাꦅকে ন꧃িয়ে আবেগপ্রবণ যশ-নুসরত
প্রসঙ্গত, হিন্দুস্থান টাইমস বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ছবির পরিচালক সৃজিﷺতও কৌশানীর কাজের দারুণ প্রশংসা করে বলেছিলেন, 'এই ছবিতে আমাকে চমক দিয়েছে কৌশনী। ও কমার্শিয়াল ছবির অভিনেতা, তাই শুরুর দিকে ভেবেছিলাম ওঁকে হয়তো অনেক পরিশ্রম করতে হবে, অভিনয়ের ধারা পাল্টানোর জায়গা থেকে। কিন্তু কৌশানী এত বুদ্ধিমতী যে সেটার ৩০ শতাংশও করতে হয়নি ওঁকে। যা যা বলেছি পুরোটা আত্মস্থ করে, যা যা চেয়েছি তা দিতে পেরেছে। মনস্তাত্ত্বিক যে জায়গাগুলো ༺চেয়েছিলাম ওঁর কাজের মধ্যে দিয়ে সেই জায়গাগুলোয় আমাকে ও অবাক করেছে। খুব খুব খুশি ওঁর কাজ নিয়ে।'
সৃজিত আরও বলেন, 'আবার প্রলয় এবং বহুরূপীতে আমি ওঁর মধ্যে একটা স্ফুলিঙ্গ দেখেছিলাম। আমার মনে হয়েছিল পরিশ্রম করলে সেই স্ফুলিঙ্গ দাবানল হয়ে যেতে পারে। ওঁর কাজ দেখে আমি চমকে গিয়েছি, পর🔥মও চমকে গিয়েছিল। এমনকী দুটো দৃশ্যে কৌশানী এত ভালো কাজ করেছিল যে, গোটা ইউনিট স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে হাততালি দিয়েছিল ও শর্ট দেওয়ার পর। অবশ্যই এটা অনেক বড় একটা ব্যাপার।'